৮৫ মিনিট আগের আপডেট; রাত ১:৫৭; বৃহস্পতিবার ; ১৩ অগাস্ট ২০২০

ঘুমধুম সীমান্তে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা ইয়াবা কারবারি নিহত

শামীম ইকবাল চৌধুরী, নাইক্ষ্যংছড়ি ৩০ জুলাই ২০২০, ১৪:৩৬

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ঘুমধুমের মুজিবুল হকের বড়ীর সংলগ্নের চীন মৈত্রী সড়কে পুলিশের সঙ্গে  কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক রোহিঙ্গা ইয়াবা  ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।  ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিষয়টি তথ্যবিত্তিক নিশ্চিত করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন।

আর এদিকে পুলিশের দাবী করে বলেন, কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ব্যক্তি শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী দলের একজন গডফাদার ছিল। এ ঘটনায়  পুলিশ কর্মকর্তাসহ পুলিশের ২ সদস্য আহত হয়েছে।

জানা যায়, বন্দুকযুদ্ধে নিহত ব্যক্তি হল, রোহিঙ্গা ক্যম্পের ৭নং ব্লকের কালো মিয়া ওরফে কালো চাঁনের পুত্র ওক্কাট্টা  শাহ আলম  (৪৫)।

থানা সূত্রে জানান, শাহ আলম একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এবং সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দলের গডফাদার। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ অসংখ্য অভিযোগে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। নিহত ব্যক্তির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে । 

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্ত ঘুমধুম ইউনিয়নের বাংলাদেশ-  মিয়ানমার চীন মৈত্রী সড়কের গাড়ি পার্কিং এলাকা ও  বন্দুকযুদ্ধে নিহত ব্যক্তির সহযোগী মুজিবুল হকের বাড়ির সংলগ্ন গহীন পাহাড়ে একদল অস্ত্রধারী ইয়াবা ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী দল অবস্থান করছে ৷ গোপন ভিত্তিতে সংবাদ পেয়ে এসআই জীবন চৌধুরীসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।

এসময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা ব্যাবসায়ী ও সন্ত্রাসী দলের  সদস্যরা অতর্কিত গুলি ছুড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। বেশ কিছুক্ষণ উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির এক পর্যায়ে ইয়াবা ব্যাবসী ও সন্ত্রাসীদলের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে শাহ আলম গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এতে পুলিশের ২সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল  ৪০ হাজার ইয়াবা, ১টি  আগ্নেয়াস্ত্র ও ২টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত ব্যক্তিকে  উদ্ধার করে নাইক্ষ্যংছড়ি  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে  হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন। আসামীসহ পালাতক আসমীদের বিরুদ্ধে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা, একটি অস্ত্র মামলা ও একটি মাদক মামলা রুজুর করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, নিহত ব্যক্তি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ি এবং সংঘবদ্ধ দলের গডফাদার। তার  বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।


সর্বমোট পাঠক সংখ্যা : ৯২