৪৮ মিনিট আগের আপডেট; দিন ১:৩০; সোমবার ; ০৬ ডিসেম্বর ২০২১

লবণ চাষীদের ভর্তুকি দেওয়া হবে

এম.এ আজিজ রাসেল ২৩ নভেম্বর ২০২১, ০০:০১

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানা বলেন, “একটি চক্র সিন্ডিকেট করে লবণের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে। হুট করে বাড়িয়ে দেয় দাম। এই সিন্ডিকেট ভাঙ্গা হবে। চামড়ার মতো লবণের দামও নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। সকলের মতামত নিয়ে জাতীয় লবণ নীতিমালা করা হবে। কৃষির ন্যায় লবণ চাষীদেরও ভুর্তুকী দেওয়া হবে।”

সোমবার (২২ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে লবণ চাষী ও মিল মালিকদের সাথে মতবিনিময়কালেতিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী চান দেশের মানুষ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকুক। কারণ দেশের মানুষ না বাঁচলে অর্থনৈতিক মুক্তি মিলবে না। তাই বেশি ঘাটতি দেখা দিলেই আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মে-জুন মাসে সেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবেসবাইকে। প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সভায় বক্তব্য রাখেন বিসিক চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব মো. মোশতাক হাসান, আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এড. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শফিক মিয়া, মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া, মহেশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান শরীফ বাদশা, কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রি’র সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক এসোসিয়েশনের সভাপতি নুরুল কবির, লবণ চাষী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মোস্তফা কামাল চৌধুরী ও মহেশখালীর প্রান্তিক লবণ চাষী সাজেদুল করিম।

সভায় বিসিক চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব মো. মোশতাক হাসান বলেন, “লবণ আমদানি না করার ফলে অনেক লবণ মিল বন্ধ হয়ে গেছে। লবণের চাহিদা আগামীতে দ্বিগুণ হতে পারে। যেকোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দেশের স্বার্থে। সেই চাহিদা পূরণ করতে পারলে আমদানির পথ বন্ধ করা হবে। প্রয়োজনে কৃষির ন্যায় লবণ শিল্পতেও ভুর্তুকী দেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিসিক এখন আগের তুলনায় অনেক শক্তিশালী। লবণ শিল্পের উন্নয়নে ২৭ হাজার চাষীদের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। লবণের ঘাটতি হলে বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। দাম নিয়ন্ত্রণ না হলে সরকার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে পারে। সেজন্য গঠন করা হয়েছে বিসিক সেল। লবণ প্রক্রিয়াকরণ শিল্পাঞ্চল, লবণ গভেষণা ইনস্টিটিউট ও বাফার গুদাম স্থাপন করা হয়েছে।

সভায় সমাপনী বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাহিদ ইকবাল। লবণ শিল্পের সার্বিক অবস্থা নিয়েসচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিসিক’র (উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ) উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ সরওয়ার হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার বিসিক’র উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ জাফর ইকবাল ভুঁইয়া।


সর্বমোট পাঠক সংখ্যা : ৭৮