৪২ মিনিট আগের আপডেট; দিন ১:২৩; সোমবার ; ০৬ ডিসেম্বর ২০২১

স্বতন্ত্র চোয়ারম্যান প্রার্থী আফজল চৌধুরীর চশমা প্রতীকে ভোটারদের ব্যাপক সাড়া

এম.মনছুর আলম,চকরিয়া : ২২ নভেম্বর ২০২১, ২৩:৪৯

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তপসিল মতে অনুষ্ঠিতব্য ২৮ নভেম্বর কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে
কৈয়ারবিল ইউনিয়নে চশমা প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, জনবান্ধব তরুণ জননেতা আফজল উর রহমান চৌধুরী বিজয়ের লক্ষেই নির্বাচনী এলাকায় কর্মী-সমর্থক নিয়ে বিরামহীন  প্রচার প্রচারনায় ও জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আফজল উর রহমান চৌধুরী প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন অলিগলিতে ও  পাড়া-মহল্লায় চশমা প্রতীকের সমর্থনে প্রচারণা ও উঠান সভা করে যাচ্ছেন। সোমবার রাতে ডিককূল স্টেশনে চশমা প্রতীকের সমর্থনে এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন তিনি।

এদিকে দিনব্যাপী গণসংযোগ ও উঠান সভার কর্মসূচিতে তার অনুগামী অসংখ্য কর্মী-সমর্থকসহ স্থানীয় এলাকার বিভিন্ন মুরব্বি, তরুণ যুবকসহ নানা পর্যায়ের জনসাধারণের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই চশমা প্রতীকের সমর্থন ও গণজোয়ার সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবী করেছেন ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারেরা। কৈয়ারবিল জনপদের সভ্রান্ত পরিবারে এই সন্তান এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র ও ক্লিন ইমেজ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে আলোচনার শীর্ষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও দাবী করেন স্থানীয় ভোটারেরা।

কৈয়ারবিল ইউপি নির্বাচনে চশমা প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আফজল উর রহমান চৌধুরী উঠান সভায় বলেন, ভোটারদের দুয়ারে যেখানেই যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ চশমা প্রতীকে মানুষের অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। মানুষের দাবীর প্রেক্ষিতে এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছি। কৈয়ারবিলবাসীর স্বার্থে আমার পূর্ব পুরুষেরা আমৃত্যু মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। আমিও তাদের ন্যায় এ জনপদের মানুষের কল্যাণে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে দিতে প্রস্তুত।

নাগরিক সুযোগ-সুবিধা, সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই জনপদের মানুষ চশমা প্রতীকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ভাগ্যোন্নয়ন ঘটাতে চাই। সাধারণ মানুষ অপশাসন থেকে মুক্তি চাই। নির্বাচনে কোন ধরণের ভয়ভীতি, হুমকি ও ষড়যন্ত্র করে চশমা প্রতীকের বিজয় ঠেকানো যাবে না। যতই ষড়যন্ত্র হোক, আঘাত আসুক, চশমা প্রতীকের গণমানুষের এ বিজয়কে কেউ ঠেকাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, শহরের সেবা গ্রামের মানুষের দূরগোড়ায় পৌঁছাতে সরকার যে মহাপরিকল্পনা ও উদ্যোগ হতে নিয়েছে তাতে উন্নয়নমুখী জনপ্রতিনিধি ও যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই। ৯টি ওয়ার্ডকে উন্নয়নের মাধ্যমে রূপ দিতে হলে চশমাকে নির্বাচিত করা ছাড়া কোন উপায় নেই।

এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে তরান্বিত করতে চশমা প্রতীককে বিজয় করার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনসাধারণ এখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তাই আগামী ২৯ নভেম্বর ইউপি নির্বাচনে চশমা প্রতীকে ভোট দিয়ে অবহেলিত মানুষের  সেবা করার জন্য এবং মডেল ইউনিয়ন রূপান্তরিত করতে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনসাধারণ কাছে চশমা প্রতীকে ভোট ও দোয়া প্রত্যাশা করছেন তিনি।


সর্বমোট পাঠক সংখ্যা : ৯২