১৪ মিনিট আগের আপডেট; রাত ১০:০৭; বৃহস্পতিবার ; ২১ অক্টোবর ২০২১

চকরিয়ায় খাবার হোটেল হামলা ও ভাংচুর মারধরে আহত-৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া ১৪ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৮

চকরিয়া পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের কোচপাড়া রাস্তার মাথায় একটি খাবার হোটেল দখলের চেষ্টা চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। এসময় হোটেলের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে ৫জনকে পিটিয়েছে। ওই সময় হোটেলের ক্যাশ থেকে নগদ ৯৫ হাজার টাকা লুট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।

এ ঘটনায় হোটেলের ভাড়াটিয়া মালিক বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে ২জনের নাম উল্লেখ করে ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা দেখিয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডস্থ কোচপাড়া রাস্তার মাথায় নুরে মদিনা ভাতঘর হোটেল এ ঘটনা ঘটে।

হামলার ঘটনায় আহতরা হলেন, চকরিয়া পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডস্থ কোচপাড়া এলাকার নুর হোসেন ছেলে ও খাবার হোটেল মালিক মনির উদ্দিন  (২৫), তার ছোট ভাই মাহির উদ্দিন (২০), তাদের বাবা নুর হোসেন (৬০) ও হোটেলের জায়গার মালিক বয়োবৃদ্ধ এখলাছ উদ্দিন (৮৭), তার ছেলে মো. ইসমাঈল (৩৬)।

থানায় দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানাগেছে, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নুরে মদিনা ভাতঘর হোটেলে আসা গ্রাহকদের মিথ্যা কথা বলে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে দোকানের পরটার হামিতে পাশ্বোক্ত হোটেল দোকানদার জামাল হোসেন বালি ছুঁড়ে। এসময় হোটেল মালিকের ছোট ভাই মাহির উদ্দিন প্রতিবাদ করলে জামাল হোসেন, তার ছেলে ইয়াছিন ইমনসহ ২/৩ জন বহিরাগত নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালিয়ে ও মারধর করে আহত করেন। 

ওইসময় তার বাবা নুর হোসেন ছেলেকে উদ্ধার করতে গেলে তাকেও মারধর করে। ঘটনার খবর পেয়ে হোটেলের জায়গার মালিক বয়োবৃদ্ধ এখলাছ উদ্দিন ও তার ছেলে ইসমাঈল ঘটনা থামাতে এগিয়ে গেলে তাদেরকে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে হোটেলের ভেতরে ঢুকে তান্ডব চালিয়ে বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতি করেন। ওইসময় সন্ত্রাসীরা হোটেলের ক্যাশ থেকে বিক্রির টাকাসহ নগদ ৯৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন বাদী। পরে ঘটনার বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিবকে অবগত করেন ভোক্তভোগী হোটেল মালিক।

হোটেলের জায়গার মালিক এখলাছ উদ্দিনের ছেলে রফিক আহমদ বলেন,  হোটেলের জায়গাটি আমাদের নিজস্ব সম্পত্তি। আমার দখলীয় জায়গায় দোকান নির্মাণ করে দীর্ঘ সময় ধরে ভোগদখল করে ভাড়া দিয়ে আসছি। সোমবার বিকেলে দোকানদার জামাল ২/৩জন ভাড়াটিয়া নিয়ে আমার দোকানের হোটেল ভাড়াটিয়াকে তুচ্ছ বিষয়ে মারধর করে ভাংচুর চালায় এবং জায়গা দখলের চেষ্টা করে। এতে বাধা দিতে গেলে আমার বৃদ্ধ বাবা ও ভাইকে সন্ত্রাসীরা মারধর করে আহত করে উল্টো হুমকি দেন। 

হোটেলের ভাড়াটিয়া মালিক ও মামলার বাদী মো.মনির উদ্দিন মঙ্গলবার রাতে ২জনের নাম উল্লেখ করে ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী দেখিয়ে থানায় এজাহার দিয়েছেন।

চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জুয়েল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে থানায় একটি এজাহার দেয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য থানার একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ঘটনার তদন্তপূর্বক পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

 


সর্বমোট পাঠক সংখ্যা : ২৪৭